নিশ্চিত! নিচে ২ বন্ধুর একটি মজার ভ্রমণের গল্প দিলাম — হালকা হাস্যরস আর সুন্দর বন্ধুত্বে ভরপুর: গল্পের নাম: "চিংড়ি ভ্রমণের চাঞ্চল্য" মাহিন আর রুমন – দুজন আজীবনের বন্ধু। একদিন হঠাৎ তারা সিদ্ধান্ত নিলো কক্সবাজার যাবে, “আরে ভাই, সমুদ্র দেখতে অনেক দিন যাই না!” — বলেই বাসের টিকিট কেটে ফেলল। বাসে উঠেই শুরু মজা। রুমন পেছনের সিটে বসে হেডফোনে গান শুনছিলো, আর মাহিন জানালার পাশে বসে এক টানা ঝিনুকের গল্প বলছিল। কিন্তু ঘটনা বাঁধে দুপুরবেলায়। তারা কক্সবাজার পৌঁছে প্রথমে গেলো সমুদ্র দেখতে । মাহিন প্যান্ট ভেজানোর ভয় না করে একদম জলে নেমে পড়লো, আর রুমন বললো, “আমি তো মোবাইল আনছি ছবি তুলতে!” ছবি তুলতে তুলতে সে পিছিয়ে যেতে যেতে একেবারে এক লোকের চিংড়ি বিক্রির ঝুড়িতে ধপাস করে পড়ে গেল! ঝুড়ি উল্টে গেল, চিংড়ি সব ছড়িয়ে পড়লো বালিতে! লোকটা রেগে গিয়ে চেঁচিয়ে বলল, — “ভাই, আপনে কি বালিতে মাছ ধরতেছেন না ছবি তুলতেছেন?” রুমন লজ্জায় পড়ে বলল, — “ভাই আমি আসলে চিংড়ি প্রেমে পড়ে গেছি!” শেষে সেই লোককে ২০০ টাকা দিয়ে চিংড়িগুলা কিনে ফেলল। এরপর সমুদ্রের পাশে বসে তারা নিজেরাই চুলা করে সেই চিংড়ি রান্না করে খেলো। রুমনের রান্...
নীলিমাকে প্রথম দেখার দিনটা আজও স্পষ্ট মনে আছে। তার হাসিতে ছিল এক অদ্ভুত শান্তি, আর কথাগুলো ছিল ভীষণ আন্তরিক। কখন যে তাকে ভালোবেসে ফেলেছিলাম, নিজেও বুঝতে পারিনি। প্রতিদিন তার একটি বার্তার অপেক্ষায় থাকতাম, তার হাসি দেখলেই মনে হতো পৃথিবীর সব সুখ যেন আমার হয়ে গেছে। অনেক সাহস করে একদিন নীলিমাকে আমার মনের কথা বললাম। কিছুক্ষণ নীরব থেকে সে বলল, "তুমি খুব ভালো মানুষ, কিন্তু আমি তোমাকে সেইভাবে ভালোবাসি না।" কথাটা শুনে মনে হয়েছিল, বুকের ভেতরটা যেন মুহূর্তেই ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। তবুও আমি তাকে কোনোদিন দোষ দিইনি। কারণ ভালোবাসা তো কাউকে বাধ্য করে পাওয়া যায় না। কিছুদিন পর দেখলাম, নীলিমা অন্য কারও সঙ্গে নতুন স্বপ্ন বুনছে। দূর থেকে শুধু তার সুখটাই দেখেছি, আর নিজের কষ্টগুলো নীরবে বয়ে বেড়িয়েছি। অনেক রাত নির্ঘুম কেটেছে, অনেকবার নিজেকে প্রশ্ন করেছি—আমি কি সত্যিই এতটাই অযোগ্য ছিলাম? আজও নীলিমার কথা মনে পড়লে বুকের ভেতর হালকা একটা ব্যথা অনুভব করি। তবুও তার জন্য কোনো অভিযোগ নেই, শুধু দোয়া আছে—সে যেন সবসময় ভালো থাকে। কারণ সত্যিকারের ভালোবাসা কখনো ঘৃণা শেখায় না; শেখায় নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসতে, হারিয়ে...
Comments
Post a Comment